সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২০

অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পৃষ্টা ১-২০)।।। রিভিউ

বুক রিভিউ
অসমাপ্ত আত্মজীবনী (পৃষ্টা ১-১৫)
বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান


বইটি না পরলে আমি জানতেই পারতাম না বঙ্গবন্ধু কৈশরে একটা গ্যাং এর লিডার ছিলেন😀।শুধু লিডারশীপই নয় রীতিমত প্রত্যেকদিন মারপিট করতেন,এমনকি দলের কাউকে কেউ কিছু বললে তার বাড়িতে গিয়ে ইট মারতেন।যাকে বলে গুন্ডাগিরি😁।
এছাড়াও তিনি ছোটকাল থেকে দুইটা কঠিন রোগের শিকার ছিলেন। রোগ দুটি হল গ্লুকোমা, বেরিবেরি।গ্লুকোমার জন্য ১৯৩৬ সাল থেকে চশমাপরা শুরু করতেন।
বইটির শুরুতে তার বংশ অর্থ্যাৎ শেখ বংশের ইতিহাস তুলে ধরেছেন।যেটি সম্পর্কে বর্তমান সময়ে একটা কথাই বলা ঠিক হবে
"ছিলাম কোটিপতি
হয়ে গেলাম ফকির"।
বংশের ব্যাপারে আমি যা পরেছি তা পুরোটাই হ-য-র-ব-ল কার সঙ্গে কার কি সম্পর্ক কিছুই বুঝতে পারছিলাম না☺।কারন ছিল খুব বড় লিস্ট।রানী রাসমনির লোকদের ও কাজি বংশের সঙ্গে রেশারেশিতে সব গেল।
গ্লুকোমা রোগের জন্য চার বছর স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন। সেই সময় তিনি স্বদেশি আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলেন।স্বদেশি আন্দোলনে তিনি ছিলেন শুভাস বোসের দলের লোক ছিলেন। মুজিব ছিল শুভাসের একনিষ্ঠ ভক্ত।প্রত্যেকদিন বিকেলে তিনি সুভাসের ভক্তিতা শুনতেন।
তৎকালীন হিন্দু অধ্যশিত গোপালগঞ্জে ছোট একটা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হয়েছিলো। হিন্দু মুসলমানদের মধ্যে একটু আড়াআড়ি চলছিলো।যেখানে ৮০ শতাংশ মানুষই ছিলো হিন্দু।শুরুটা মুসলিম লিগ তৈরি নিয়ে।শেরেবাংলা ও সোহরাওয়ার্দী গোপালগঞ্জে বিশাল জনসভায় আসলে জনসভার দায়িত্ব পরে ছাত্রদের উপর।সেই সময় খুব কম সংখ্যক মুসলিম ছাত্র ছিল। জনসভার সম্পূর্ণ দায়িত্ব থেকে সরে গেলেন হিন্দু ছাত্ররা এবং তারা খুব ক্ষেপে ছিলেন। মুজিব ও অল্প কিছু সংখ্যক ছেলে ছিলেন সভার দায়িত্বে।সভা শেষে মুজিব এর কাছ থেকে হক সাহেব তার ঠিকানা নোট করে নিলেন। পরে তাদের মধ্যে চিঠির আধান-প্রদান হল।যেখান থেকে মুজিবের রাজনীতিতে আসা.....
#Nilay